কুলিয়া সেতুর দ্রুত নির্মাণ হোক বিধানসভায় মন্ত্রীকে জানালেন বিধায়ক

কল্যাণ অধিকারী

কুলিয়া ঘাটে পাকা সেতুর দ্রুত নির্মাণ কাজ শুরুর কথা বিধানসভায় মন্ত্রী মলয় ঘটকের কাছে রাখলেন আমতা বিধানসভার বিধায়ক সুকান্ত পাল। তাঁর দাবি যে যথাপুযুক্ত মানছেন আমতা বিধানসভা ক্ষেত্রের ঘোড়াবেড়িয়া চিতনান ও ভাটোরার মানুষজন।

গত বর্ষায় বন্যায় কুলিয়া ঘাটে অস্থায়ী সেতু জলের তোড়ে দুবার ভেসে যায়। ফেরিঘাটই ভরসা ছিল। এরপর আবারও বাঁশের অস্থায়ী সেতু বানানো হয়। কিন্তু এভাবে কতবার অস্থায়ী সেতু হবে প্রশ্ন ছিল স্থানীয়দের। তাঁদের কথায়, দীর্ঘদিনের বামশাসনেও সেতু পায়নি দ্বীপাঞ্চলবাসি। বিধায়ক থাকাকালীন অসিত মত্র একটি ইট পুততে পারেনি। কংক্রিটের সেতু নির্মানের জন্য উদ্যোগী হন আমতা-২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি তথা এলাকার বর্তমান বিধায়ক সুকান্ত পাল। কুলিয়া ঘাট এলাকায় জরিপের কাজ সম্পূর্ণ। তারপর কাজ সেভাবে আর এগোয়নি। ফলে সমস্যার সুরাহা হয়নি দ্বীপাঞ্চল বাসীর। মঙ্গলবার বিধানসভায় মন্ত্রী মলয় ঘটকের কাছে সেতুর কাজ দ্রুত চালুর জন্য প্রস্তাব রাখেন বিধায়ক সুকান্ত পাল।

সুকান্ত বলেন, “দীর্ঘদিনের স্বপ্ন বাস্তবায়নে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই এলাকার মানুষের দাবী কে সম্মান দিয়ে অনুমোদন দিয়েছেন এবং দ্রুততার সঙ্গে যাতে হয় নির্দেশ দিয়েছেন। মন্ত্রী মলয় ঘটকের কাছে বিধায়ক বলেন এই সেতুর কাজ দ্রুত শুরু ও শেষ হলে দ্বীপ এলাকার পঞ্চাশ-পঞ্চান্ন হাজার মানুষ উপকৃত হবে। দ্রুত শুরু করা যায় তার জন্য উল্লেখ করেন।” সুকান্তর প্রশ্নের উত্তরে বিভাগীয় মন্ত্রী  মলয় ঘটক বলেন, “ইতিমধ্যে জরিপের কাজ মাটি পরীক্ষার কাজ এবং জমি জরিপ কাজ শেষ হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে খুব দ্রুতই সেতুর কাজ শুরু হবে।”

মুণ্ডেশ্বরী নদীর পশ্চিমপাড়ে ঘোড়াবেড়িয়া চিতনান ও ভাটোরা। পূর্ব পাড়ে জয়পুর, বাগনান সহ হাওড়া গ্রামীণ এলাকা। কুলিয়া ঘাট থেকে হাওড়া সদরের দূরত্ব প্রায় ৫২ কিমি। দ্বীপাঞ্চলে বাজার-হাট, স্কুল থাকলেও মাল্টি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল থেকে শুরু করে ব্যাঙ্ক, কলেজ, বিশ্ব বিদ্যালয় সব ওপাড়ে। কংক্রিটের সেতু তৈরি হলে সবকিছুই নাগালের মধ্যে চলে আসবে। বিধানসভায় সেতুর কথা ওঠায় কাজ শুরু হবে বুক বাঁধছে এলাকার মানুষজন।     
Attachments area

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *