হাওড়ায় পুলিশের সঙ্গে বচসা, উদয়নারায়ণপুরে থানা ঘেরাও কর্মসূচিতে বিজেপি রাজ্য সভাপতি
কল্যাণ অধিকারী ও ব্যুরো রিপোর্ট
হাওড়ায় আক্রান্ত বিজেপি কর্মীদের দেখতে এসে পুলিশি বাধার মুখে পড়েন রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। শনিবার হাওড়া বেলিলিয়াস রোডে পৌঁছানোর অনেক আগেই পুলিশের ব্যারিকেডে আটকে যান সুকান্ত। এরপরেই পুলিশের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন তিনি।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার রাতে গোষ্ঠী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে টিকিয়াপাড়া সংলগ্ন বেলিলিয়াস রোড এলাকায়। ঘটনায় ১৭নং ওয়ার্ডের বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা আক্রান্ত হন। এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশের পক্ষ থেকে গোটা এলাকায় জারি করা হয় ১৪৪ ধারা। শনিবার দুপুর নাগাদ আক্রান্ত বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের দেখতে আসেন সুকান্ত মজুমদার। ঘটনাস্থলের বহু আগে হাওড়া পুরসভার গেটের কাছেই ব্যারিকেড করে পুলিশ। ফলে ঘটনাস্থলে যেতে পারেননি। ব্যারিকেডের সামনে দাঁড়িয়েই পুলিশের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন তিনি।
সুকান্ত বলেন, “পুলিশ আমাকে আটকাতে ঘটনাস্থলের তিনশো মিটার দূরে ব্যারিকেড করেছে। এত দূরে ব্যারিকেড করতে পারে না পুলিশ। ১৪৪ ধারা এলাকায় যদি ঢুকি তখন আটকাবেন কিন্তু এতদূরে পুরসভার কাছে কেন আটকাচ্ছেন! কেন ঘটনার এতগুলো দিন পরেও কেউ গ্রেপ্তার হল না পুলিশের কাছে প্রশ্ন তোলেন। এরপর আক্রান্তদের সঙ্গে ওখান থেকেই কথা বলেন তিনি। দীর্ঘক্ষন বিক্ষোভ দেখান।
এর পর তিনি উদয়নারায়ণপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। আমতার সিয়াগোড়ি পৌঁছে কর্মীদের সঙ্গে বাইক র্যালি করে উদয়নারায়ণপুর যান। উদয়নারায়ণপুর থানার কাছাকাছি পৌঁছে বহু কর্মীদের সামনে একটি গাড়িতে উঠে বক্তব্য রাখেন। বিজেপি সূত্রে খবর, উদয়নারায়ণপুর এলাকায় বিজেপি কর্মীদের মিথায় মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে। সেইমতন থানায় ডেপুটেশন দেওয়ার জন্য উদয়নারায়ণপুরে আসেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

