অযোগ্য প্রার্থীদের নাম প্রকাশ হতেই শোরগোল
কল্যাণ অধিকারী এডিটর রাজন্যা নিউজ
দাগি শিক্ষকদের তালিকায় কারা ? ১৮০৪ জনের প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করল কমিশন। তারপর থেকে উত্তাল সোশ্যাল মিডিয়া। চর্চা ট্রেনে-বাসে। আলোচনা একটাই কারা তাহলে দাগি ? কারা নম্বর বাড়িয়ে চাকরি পেয়েছে ? টাকার বিনিময়ে কি এই অযোগ্যদের যোগ্য করে দেওয়া হয়েছে ? সব টাকা কি শাসকের নেতাদের পকেট? রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে এসব প্রশ্নই শবিবার রাত শুরুতেই ঘুরছে।
নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তদন্তকারীদের তরফ থেকে অভিযোগ করা হয়, ওএমআর শিটে এক নম্বরও মেলেনি, অথচ চাকরি মিলে গিয়েছে। এমনকি বহাল তবিয়তে স্কুলে চাকরি করছেন একাধিক ‘ভুয়ো শিক্ষাকর্মী’। কয়েক বছর ধরে এসব শুনেছে রাজ্যের মানুষ। এসএসসি-র ২৬ হাজার চাকরি বাতিল হয়। ওই বাতিল মামলায় সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিলেন আগামী ৭ দিনের মধ্যে অযোগ্যদের তালিকা প্রকাশের। আদালতের বেঁধে দেওয়া সময়সীমার মধ্যেই শনিবার রাত আটটা নাগাদ ১ হাজার ৮০৪ জনের তালিকা প্রকাশ করেছে স্কুল সার্ভিস কমিশন।
রাত শুরু হতেই গুগলে চলছে খোঁজাখুঁজি। এসএসসি আনসাকসেসফুল লিস্ট। অযোগ্যদের তালিকা ইত্যাদি। অনেকে এমনটাও বলছে, দাগি’দের তালিকা প্রকাশের পাশাপাশি, যাঁরা টাকা নিলেন তাঁদের লিস্ট বের করার নির্দেশ দিক আদালত। তবেই জানা যাবে, অযোগ্যদের চাকরির বিনিময়ে মোটা টাকা কারা নিয়েছে। উজ্জ্বল সেনগুপ্ত নামে এক ব্যক্তি সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, দেড় হাজারের বেশি নাম রয়েছে অযোগ্যদের তালিকায়। চাল থেকে কাঁকর বাছা তো গেল! এবার কি তাহলে যোগ্যদের চাকরি ফেরানো হবে?
তবে অনেকেই নিজের এলাকার স্কুলের অযোগ্য শিক্ষকদের নামগুলো খুঁজে দেখছেন। পাশাপাশি এমনটাও বলছেন, লিস্ট তো বেরল, এরা যেন কোনদিন কোন চাকরি পরীক্ষায় বসতে না পারে। তার নির্দেশ দিক আদালত। পাশাপাশি বাকিদের চাকরি ফেরত দেওয়ার বিসয়টি সহানুভূতির সঙ্গে দেখুক। অনেক কষ্ট করে একটা চাকরি পেয়েছিলেন যোগ্যরা। চাকরি হারিয়েছে পাশাপাশি সমাজে মানসম্মান খুইয়েছে। আর তা হয়েছে এই দাগি অযোগ্যদের জন্য।
ছবি সংগৃহীত

