বিহারে জিতল এনডিএ, আবির-মিষ্টিমুখ হাওড়া ব্রিজে

কল্যাণ অধিকারী, রাজন্যা নিউজ

হাওড়া শহর থেকে বিহারের দূরত্ব প্রায় ৬৩০ কিমি। ওখানের সঙ্গে নেই ভাষার মিল। কিন্তু কর্মসূত্রে হোক বা ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য লাখো বিহারবাসী এখন বসবাস করেন হাওড়া ও কলকাতায়। শুক্রবার বিহারের গণনায় বড় মার্জিনে জয় পেয়েছে এনডিএ জোট। এই ফলাফলে তাঁদের একটা বড় অংশ লাড্ডূ বিলি করলেন। কপালে দিলেন গেরুয়া আবির। বিনোদ শাহ তো বলেই দিলেন, বিহারে ওলট-পালট হয়ে গিয়েছে সব সমীকরণ। এতদিন ধরে জাতপাতের রাজনীতি সব শেষ। মানুষ চায় কলকারখানা, কাজ ও উন্নয়ন। এবার নতুন বিহার গড়ে উঠবে।

শুক্রবার দুপুর হাওড়া ব্রিজে হাজির শতাধিক বিজেপি কর্মী ও কার্যকর্তা। তখনও বিহারে চলছে ভোট গণনা। ২০০ বেশি আসনে এগিয়ে এনডিএ। জয় ঘোষণা টুকু বাকি। হাওড়া ব্রিজে তুমুল বিজয়োল্লাস দেখা গেল বাংলার পদ্ম কর্মীদের। এক্কেবারে গ্র্যান্ড সেলিব্রেশন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নামে উঠল জয়ধ্বনি। হাওড়া জেলার নানা প্রান্তেও গেরুয়া আবির মেখে আনন্দে মেতে উঠলেন বিজেপি কর্মীরা। চলল বাজনা বাজিয়ে মিষ্টিমুখ। কর্মীদের সাফ কথা, ভোট দিয়েই কলকাতার ট্রেন ধরেছিলাম। বুঝেছিলাম এবারও আসতে চলেছে এনডিএ সরকার। তাই তো গতকাল থেকেই লাড্ডু কিনে রেখেছিলাম। এদিন মিষ্টিমুখ করব বলে। অশোক দাস নামে পোস্তার এক ব্যবসায়ী বলেন, এই জয়ের আনন্দে মেতেছেন সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে কর্মীরা. বিহারে হয়েছে আগামীতে এখানেও বদল হবে। এ কথা বলার ফাঁকে, আবির মেখে জয়ধ্বনি তুললেন বিজেপির কর্মীরা।

হাওড়ার সালকিয়া-সহ একাধিক এলাকায় এদিন আবির মাখতে দেখা গেল। বিশাল সাসমল বলেন, বিহারের দ্বারভাঙ্গার ভোটার তিনি। এসআইআর-এর ফলে বিহার এখন অনেকটাই স্বচ্ছ। এতদিন ফেক ভোটারদের নাম করে জয় পাচ্ছিল। কিন্তু সেসব এবার অতীত। তার ফলে ভোটের ব্যবধান এতটাই আছড়ে পড়েছে এনডিএ-শিবিরে। আগামীদিনে দেশের সর্বত্র এই একি ছবির দেখা মিলবে। বাংলার ভোটেও চিত্রটা বদলাবে। যদি ঠিকঠাক ভোট হয় তবে শাসকের আসন অনেকটাই কমবে। যার ফল পাবে প্রধান বিরোধী শিবির বিজেপি। পিঙ্কি দেবী বলেন, আলীনগর থেকে প্রার্থী হয়েছেন মৈথিলী ঠাকুর। এত কম বয়সে দাঁড়িয়েছে ওকে ভোট দেব না এটা কি হয়। টিভিতে দেখাচ্ছে আলীনগর থেকে জিতলেন মৈথিলী ঠাকুর। মানুষের মাঝে থেকে এবার কাজ করবেন তিনি। একবার ওর সঙ্গে দেখা করবার ইচ্ছে থাকল। এটা লিখে দেবেন আপনার কাগজে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *