চক্রব্যূহ থেকে বেরোন কঠিন বড় ইঙ্গিত ধনকড়ের
রাজন্যা নিউজ , নয়াদিল্লি:
আচমকাই উপরাষ্ট্রপতির পদ থেকে ইস্তফা। তারপর থেকেই সেভাবে আর কোনও যোগাযোগ পাওয়া যায়নি তাঁর। দীর্ঘ প্রায় ৪ মাস পার! বলাবাহুল্য, তারই মধ্যে মাঝে মাঝে বেশ কযেকবার প্রকাশ্যে দেখা গিয়েছে তাঁকে। এবার দীর্ঘ প্রায় চারমাস পর এবার কিছুটা ‘ইঙ্গিতবাহী’ মন্তব্য প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকড়ের! জানা গিয়েছে, প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতির কথায়, যে ভ্রান্ত ধারণা তৈরি হয় সেই ভ্রান্ত ধারণার চক্রব্যূহ থেকে বেরিয়ে আসা সত্যিই খুবই কঠিন।’ এহেন মন্তব্য করে ধনকড় আদতে কাকে ‘ইঙ্গিত’ করলেন?
পদত্যাগের পর প্রথম জনসভায় ‘চক্রব্যূহ’ থেকে বেরিয়ে আসা কঠিন মন্তব্য নিয়েই চর্চা তুঙ্গে। নাম না করে কাদের নিশানা করলেন জগদীপ ধনকড় তা নিয়েই শুরু হয়েছে ব্যপক চর্চা। বললেন, ‘চক্রব্যুহ থেকে বেরোনো মুশকিল হয়ে গিয়েছিল’। রাজ্যসভার যেভাবে কথা বলতেন ঠিক একই স্টাইলে বক্তব্য রাখার সময়, জনসমক্ষে দীর্ঘ সময় অনুপস্থিতির কথা তুলে ধরে বত্তৃ«তা শুরু করেন জগদীপ ধনকড়। চার মাস পর প্রকাশ্যে জনসভায় বত্তৃ«তা দিয়েছেন তিনি। বলেছেন, ‘চার মাস পর, এই উপলক্ষে, এই শহরে, এই বইটি নিয়ে, আমার কথা বলতে কোনও দ্বিধা করা উচিত নয়।’ সংসদের বর্ষা কালীন অধিবেশন শুরু হওয়ার ঠিক একদিন পর, স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে ২১ জুলাই ৭৪ বছর বয়সী রাজনীবিদ উপরাষ্ট্রপতি পদ থেকে পদত্যাগ দেখিয়ে ২১ জুলাই, ৭৪ বছর বয়সী রাজনীবিদ উপরাষ্ট্রপতি পদ থেকে পদত্যাগ করেন। বাংলার প্রাক্তন রাজ্যপাল কোনও গল্পের ফাঁদে আটকা পড়া নিয়েও এদিন সতর্ক করেন। বত্তৃ«তায় তিনি আরও বলেন, ‘ঈশ্বর না করুন যে কেউ গল্পের ফাঁদে আটকা পড়ে। যদি কেউ এই গোলকধাঁধায় আটকা পড়ে, তাহলে বেরিয়ে আসা খুব কঠিন হয়ে পড়ে।’ জগদীপ ধনকড় মজার সুরে বলেছেন, ‘আমি নিজের উদাহরণ দিচ্ছি না।’ তার এই মন্তব্যে দর্শকদের মধ্যে হাসির রোল ওঠে। আরএসএসের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনমোহন বৈদ্যের লেখা একটি বইয়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি বক্তব্য রাখার সময়েই এহেন মন্তব্যগুলি করেছেন। তাঁর এই মন্তব্যের পরেই রাজনৈতিক মহলে এই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে যে, তাহলে কি কোনও চক্রব্যুহ পরেই পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন ধনকড়? এই প্রসঙ্গে উল্লেখ্য যে অনুষ্ঠানে ধনকড় গিয়েছিলেন সেখানে বিজেপি-নেতৃত্বাধীন মধ্যপ্রদেশ সরকার বা রাজ্য বিজেপির কেউ বিমানবন্দরে স্বাগত জানাতে আসেননি। তার পরেই মধ্যপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী দিগ্বিজয় সিং কটাক্ষ করে বলেন, ‘তারা (বিজেপি) ‘ব্যবহার করো এবং নিক্ষেপ করো’ নীতি অনুসরণ করে।’

