কমিশন আমাদের কষ্ট বুঝল কই? চোখে জল নিয়েই ফিরে গেল বিএলওরা
কল্যাণ অধিকারী, রাজন্যা নিউজ
সিইও দফতরের সামনে বিএলও-দের চিৎকার আমাদের কষ্টটা বুঝুন। আমাদের কিছু হয়ে গেলে পরিবার যে পথে বসবে। এত মানসিক চাপ সইব কেমনে! ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা আটকানো পুলিশের সামনেই গলা উঁচিয়ে বলে চলেছেন বিএলও-দের একাংশ। এ যেন নিজেদেব টিকিয়ে রাখা ও পরিবারকে বাঁচিয়ে রাখার লড়াই।
সোমবার বিকালে সিইও দফতর অভিযান ছিল বিএলও-দের। কলকাতার অফিস পাড়ায় ব্যারিকেডের এক পাশে পুলিশ, অন্য পাশে বিএলওদের। পাঁশকুড়া থেকে ট্রেনে চেপে এসেছিলেন ওয়াসিম সেখ, সুনির্মল দাস-সহ অনেকে। এদিন শহর থেকে জেলা ওঁদের কন্ঠ মিলিয়ে দিয়েছিল। আমরা তো পরিবারের একমাত্র রোজগেরে। আমাদের উপর এত কাজের চাপ দিয়ে মানসিকভাবে শেষ করে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। আমরা রাতে না পারছি ঘুমতে, না পারছি দিনের বেলায় কাজ সম্পূর্ণ করতে। ভাবুন তো এত মানুষের ফর্ম দিয়ে আসা, তারপর নিয়ে আসা। অনলাইনে আপলোড করা কতটা সময়সাপেক্ষ। কিন্তু আমাদের জন্য সময় কোথায় দিচ্ছে কমিশন? চোখে জল নিয়ে ফিরে গেলেন বিএলওরা।
এদিন বিএলও অধিকার সুরক্ষা মঞ্চের তরফে সিইও দপ্তর অভিযানের ডাক দেওয়া হয়েছিল। প্রচুর সংখ্যায় হাজির হয়েছিলেন বিএলওরা। তাঁদের কথা কি বোঝবার চেষ্টা করছে কমিশন? এ প্রসঙ্গে রাজ্যের নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল সাংবাদিক সম্মেলনে জানিয়েছেন, বহু জায়গায় ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ কাজ হয়ে গিয়েছে। এর নেপথ্যে বিএলও-দের কৃতিত্ব সর্বাধিক। কোনও বিএলও অসুস্থ হয়ে পড়লে চিকিৎসার ভার নেবেন জেলাশাসক। তাঁর বদলে অন্য কোনও বিএলও-কে নিয়োগের পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে ইআরও-কে।

