শ্যামপুরে এসআইআর ফর্ম না পাওয়ায় আতঙ্কে ২৭জন ভোটার
দীপিকা অধিকারী, রাজন্যা নিউজ
হাতে আর মাত্র কয়েকটাদিন বাকি। তারপরেই শেষ হয়ে যাবে এসআইআর-এর দ্বিতীয় পর্বের কাজ। কিন্তু এখনও এসআইআর ফর্ম না পৌঁছানোর আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন হাওড়া শ্যামপুর-১ ব্লক এলাকার ২৭ জন ভোটার। বাবা মায়ের ভোটার লিস্টে নাম থাকলেও নিজেদের নাম যেমন ২০০৫-এর ভোটার লিস্টে নেই। ঠিক তেমনি নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট থেকে উধাও। প্রত্যেকেই শ্যামপুরের স্থায়ী বাসিন্দা ও ভোটার কার্ড রয়েছে বলেই জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে খবর, শ্যামপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৯০ অংশের ১৭৯ নং বুথ। এখানেই ২৭ জন ভোটার রয়েছেন যাঁদের কাছে এসআইআর ফর্ম না পৌঁছানোর মত গুরুতর অভিযোগ। কেউ তো ২০০৯ সালেও ভোট দিয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে নাম ছিল। কিন্তু মার্চ মাসের পর থেকে আর ওয়েবসাইটে নাম মিলছে না। ফলে আতঙ্কের ছাপ চোখেমুখে স্পষ্ট। সৌভিক পাখিরা নামে এক ভোটার জানান, আমাদের এখানে সাত পুরুষের বাস। আমি জন্ম থেকেই বাস। কিন্তু অবাক হয়ে যাচ্ছি বছরের শুরুতেও কমিশনের ওয়েবসাইটে নাম ছিল। কিন্তু মার্চ মাসের পর থেকে নাম উধাও।
একসঙ্গে এতজন ভোটারদের নিয়ে নাস্তানাবুদ অবস্থা এখন বিএলও থেকে শুরু করে প্রশাসনিক কর্তারাও। বিএলও জানিয়েছেন, ৮নম্বর সংসদ এখানে ১৯০ নং বুথে নাম নেই ২৭ জন ভোটারের। এনাদের বুথ শ্যামপুর গার্লস স্কুল। এক একটা ফর্ম গুরুত্বপূর্ণ। তারপরেও কি হল বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। জানা যাচ্ছে, যেহেতু এই এলাকাটি শ্যামপুর-১ বিডিও এলাকার মধ্যে পড়ে। তাই শ্যামপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এবং শ্যামপুর-১ বিডিও অফিসের দরজায় ঘুরছে। তাহলে কি আবার নতুন করে ৬ নম্বর ফর্ম ফিলাপ করে নতুন ভোটারের তকমা পেতে হবে চিন্তার মেঘ ভোটারদের।

