ছয় রাজ্যে এন্যুমারেশন ফর্ম জমার সময় বৃদ্ধি

রাজন্যা নিউজ নয়াদিল্লি ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন পর্বের সময়সীমা বাড়ানো হবে কি না, তা নিয়ে জল্পনা চলছিল নানা মহলে। কাজ চলছে বাংলা-সহ ১২ রাজ্যে, বৃহস্পতিবারই এনুমারেশন ফর্ম জমা দেওয়ার শেষ তারিখ। দিন শেষ হওয়ার আগেই পাঁচ রাজ্য-সহ এক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে সময়সীমা বাড়িয়ে দিল কমিশন। নাম নেই বাংলার। অর্থাৎ এ রাজ্যে ফর্ম জমা দেওয়ার শেষদিন আজই।
তামিলনাড়ু, গুজরাত, মধ্যপ্রদেশ, উত্তরপ্রদেশ, ছত্তিসগড় ও আন্দামান-নিকোবরের জন্য রিভাইজড শিডিউল ঘোষণা করা হয়েছে। এই সংশোধিত সময়সূচি অনুযায়ী নির্দিষ্ট রাজ্যগুলিতে বিশেষ নিবিড় সংশোধন পর্ব এক সপ্তাহ বেশি চলবে। আর বাংলা-সহ দেশের অন্যান্য জায়গায় পূর্ব ঘোষণা মতো বৃহস্পতিবারই এন্যুমারেশন ফর্ম জমার সময়সীমা শেষ হচ্ছে। এর পাশাপাশি কমিশন জানায়, সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলিতে পুনর্বিবেচনার কাজ আরও ভালভাবে শেষ করার উদ্দেশ্যেই এই সিদ্ধান্ত।
কমিশনের কর্মকর্তাদের মতে, ভোটার তালিকার নির্ভুল প্রক্রিয়া বজায় রাখতে বিশেষ পুনর্বিবেচনা প্রক্রিয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নতুন ভোটারদের অন্তর্ভুক্ত করা, মৃত বা স্থানান্তরিত ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া এবং সংশোধনের প্রয়োজনীয় তথ্য আপডেট করা-এই সবই এসআইআর-এর মূল উদ্দেশ্য। সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলি থেকে প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, আরও কিছুটা সময় দিলে প্রক্রিয়াটি অনেক ভালভাবে সম্পন্ন হবে। তবে জাতীয় পর্যায়ে সময় বাড়ানো হয়নি বলে এনুমারেশন ফর্ম জমার ক্ষেত্রে কোনও বদল আনা হয়নি। ফলে যাঁরা এখনও নাম অন্তর্ভুক্ত বা সংশোধন করতে চান, তাঁদের আজই ফর্ম জমা করতে হবে।
কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, সংশোধিত সূচি তৎক্ষণাৎ কার্যকর হবে এবং রাজ্য নির্বাচন দফতরগুলি পরবর্তী পদক্ষেপ শুরু করে দিয়েছে।
এদিকে, বৃহস্পতিবার নদিয়ার কৃষ্ণনগরের সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী জানান তিনি এখনও ফর্ম ফিলআপ করতে পারেননি। ‘কেন এখনও ফর্ম ফিলাপ করেননি’, তার কারণও স্পষ্ট করেন। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, ‘শুনুন আমি এখনও ফর্ম ফিলাপ করিনি। কেন করিনি? তিনবার সেন্ট্রাল মিনিস্টার ছিলাম। সাতবার এমপি হয়েছি। আর আপনাদের আশীর্বাদ, শুভেচ্ছায় তিনবার মুখ্যমন্ত্রী। আমাকে আজ প্রমাণ করতে হবে, নাগরিক কি না?’ খানিক থেমে মমতার শ্লেষ, ‘এর চেয়ে নাকখত দেওয়া অনেক ভাল!’ তাঁর এই দাবির পরও বাংলায় সময়সীমা না বাড়ায় একাধিক প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *