রাজ্য সরকারের বাড়ি প্রকল্পে বিপুল সুবিধা প্রদান হাওড়াতে
রাজন্যা নিউজ ব্যুরো হাওড়া
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে ‘বাংলার বাড়ি (গ্রামীণ)’ প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্বের সূচনা হল সিঙ্গুর থেকে। এই কর্মসূচির আওতায় হাওড়া জেলাজুড়ে বুধবার একযোগে আর্থিক সহায়তা ও পরিষেবা প্রদান করা হলো। জেলা প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, এই পর্যায়ে মোট ৬৬,৫৮৬ জন উপভোক্তা বাংলার বাড়ি (গ্রামীণ) প্রকল্পের আওতায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। ব্লকভিত্তিক হিসেব অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি উপভোক্তা রয়েছেন জগৎবল্লভপুর (৯২৪৩ জন) ও পাঁচলা (৮৮৮৫ জন) ব্লকে। এ ছাড়াও, আমতা-১ (৪৮৬৫), আমতা-২ (৫০০৮), বাগনান-১ (৪২৩৯), বাগনান-২ (৯৪২), ডোমজুড় (৩৭৩৩), শ্যামপুর-১ (৭২১২), শ্যামপুর-২ (৪৮০০), সাঁকরাইল (৫১৫৫), উলুবেড়িয়া-১ (৫০০৯), উলুবেড়িয়া-২ (৪৭১১)-সহ জেলার প্রায় সব ব্লকেই প্রকল্পের সুবিধে পৌঁছেছে।
সাঁকরাইল পঞ্চায়েত সমিতি এলাকায় মোট ৫১৫৫ জন উপভোক্তাকে বাড়ি প্রদানের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাকরাইলের বিডিও কামারুল মনির জানান, ‘বাংলার বাড়ি প্রকল্পে সাঁকরাইল পঞ্চায়েত সমিতির মোট ৫১৫৫ জন উপভোক্তা রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে অধিকাংশই ইতিমধ্যেই তাঁদের অ্যাকাউন্টে অর্থ পেয়ে গেছেন। খুব স্বচ্ছভাবেই এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।’ তিনি আরও বলেন এই প্রকল্পের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের পাকা বাড়ির স্বপ্ন পূরণ হবে। বাংলার মানুষ আরও নিরাপদ ও মর্যাদার সঙ্গে বসবাস করতে পারবেন। শংসাপত্র হাতে পেয়ে খুশি উপভোক্তারাও।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, এ দিনই ৫৯,৬০৭ জন উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি ডিবিটি-এর মাধ্যমে প্রথম কিস্তির ৬০ হাজার টাকা করে মোট ৩৫৭.৬৪২ কোটি টাকা স্থানান্তর করা হয়েছে। এর আগে বাংলার বাড়ি (গ্রামীণ) প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে ২২,৮৯৫ জন উপভোক্তা ঘর পেয়েছেন, যেখানে ব্যয় হয়েছে ২৭৪.৭৪ কোটি টাকা। এ দিন জেলাজুড়ে সমস্ত গ্রাম পঞ্চায়েত, ব্লক ও জেলা সদর দপ্তরে উপভোক্তাদের নিয়ে বিশেষ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। একই সঙ্গে বিভিন্ন ব্লকে পাট্টা বণ্টন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

