জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক গ্রেপ্তারের পর থেকেই অস্বস্তি বেড়েছে শাসকদলের
কল্যাণ অধিকারী ও ব্যুরো রিপোর্ট
রেশন দুর্নীতিতে প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক গ্রেপ্তারের পর থেকেই জল্পনা এরপর কে গ্রেপ্তার হবেন ! রাজ্যে একাধিক দুর্নীতির তদন্ত করছে ইডি, সিবিআই। উঠে আসছে একের পর এক নাম। জল্পনা সর্বত্র। ঘটনা প্রসঙ্গে বারবার রাজ্যকে নিশানা করেছে বিরোধী দলের সাংসদ-বিধায়ক।
সমস্ত ঘটনার জন্য গেরুয়া শিবিরের অঙ্গুলিহেনন দেখছে রাজ্যের শাসকদল। সাংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যে জানা যাচ্ছে, তদন্ত হচ্ছে শুধুমাত্র তৃণমূলের বিধায়কদের বিরুদ্ধে। বিজেপির নেতাদের নামে অভিযোগ থাকলেও তদন্ত হচ্ছে না। সবটাই ওয়াশিং মেশিন দ্বারা সাফ! যদিও নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে কয়েক বছর ধরেই শোরগোল চলছে। চাকরিপ্রার্থীরা অবস্থান আন্দোলন চালাচ্ছেন। অর্পিতার ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হয় বস্তা বস্তা ৫০০ এবং ২০০০ টাকার নোট। সমস্তটাই চাকরি বিক্রির টাকা বলেই অভিযোগ করেছিলেন বিরোধীরা।
২৩ জুলাই ২০২২ ইডির হাতে গ্রেপ্তার হন রাজ্যের মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। ওই বছর ১১ অক্টোবর নিয়োগ দুর্নীতিতে গ্রেপ্তার হন মানিক ভট্টাচার্য। চলতি বছর ১৭ এপ্রিল গ্রেপ্তার হন আরও এক বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা। গত ২৭ তারিখ গ্রেপ্তার হয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। নিঃসন্দেহে এই গ্রেফতারি অস্বস্তি বাড়িয়েছে শাসকদল তৃণমূলের। লোকসভা ভোটের আগে তৃণমূলের অনেকেই গ্রেপ্তার হতে পারেন আশঙ্কা করছে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

