ট্রেনে টিকিটের আকাল! হোটেল ভাড়া আকাশ ছোঁয়া ধরা ছোঁয়ার বাইরে দিঘা
কল্যাণ অধিকারী এডিটর রাজন্যা নিউজ
বছর শেষে দিঘা যাওয়ার ইচ্ছে থাকলে বাধ সাধছে ট্রেনের টিকিট ও হোটেল। হাওড়া থেকে দিঘা যাওয়ার দুটি এক্সপ্রেস ট্রেনে টিকিটের আকাল। অন্যদিকে দিঘায় অন্ততপক্ষে তিনদিনের জন্য হোটেল বুকড করলে তবেই মিলছে রুম। ফলে বছর শেষে বাঙালির অত্যন্ত প্রিয় দিঘা ভ্রমণে কিছুটা বাধ সাধছে টিকিট ও হোটেল ভাড়া।
মঙ্গলবার দুপুরে হাওড়ায় নামেন বারুইপুরের বাসিন্দা অক্ষয় সাউ ও সোমা সাউ। ওঁদের কথায়, “সৈকত শহর দিঘায় স্রোতের মতন মানুষজন যাচ্ছেন। দু’দিনের ভ্রমণের উদ্দেশ্যে গিয়ে অনেক অনুনয়-বিনয় করে তবেই একটা ঘর ‘ম্যানেজ’ করতে পেরেছেন। ভাড়া যা হাঁকছে তা লাগামছাড়া। নিউ দিঘায় বাজেট হোটেল মিলছে না। দু হাজার থেকে পঁচিশ শো টাকায় রুম। মন্দারমণি-তাজপুর-শংকরপুর গাড়ি ভাড়া দ্বিগুণ।”
এ’বছর ৩০ এবং ৩১ ডিসেম্বর পড়েছে শনি ও রবিবার। সরকারি ছুটি। ২৫ ডিসেম্বর থেকে ৩১ তারিখ পর্যন্ত এক্সপ্রেস ট্রেনে ওয়েটিং দেখে চক্ষু চড়কগাছ পর্যটকদের। তাম্রলিপ্ত ও কান্ডারী এক্সপ্রেসে মিলছে না টিকিট। বাধ্য হয়ে অনেকে সকাল ৬টা ৪৫ এর সাঁতরাগাছি-মেচেদা-দিঘা লোকাল ট্রেন ধরবার চিন্তাভাবনা করছেন। অন্যথায় হাওড়া থেকে বাসে দিঘা।
হাতে গোনা ক’দিন পরেই বছর শেষ। দু’দিনের ছুটি নিয়ে পৌঁছে যেতে চায় স্বল্প দূরত্বের দিঘা। সকালে ছাড়ে তাম্রলিপ্ত অথবা দুপুরে কান্ডারি এক্সপ্রেস। কিন্তু এই ক’দিন ওয়েটিং প্রায় ৫০। জেনারেল কামরায় গুঁতাগুঁতি করে যাওয়া কি সম্ভব অগত্যা বাস ও লোকাল ট্রেন ভরসা জোগাচ্ছে জানালেন হাওড়ার বাসিন্দা অমিয় স্যানাল, ঝিলম কর্মকার, সতিনাথ ভান্ডারি।
ছবি সংগৃহীত।

