প্রথম জুম্মাতেই ইতিহাস গড়ল বেলডাঙার বাবরি
রাজন্যা নিউজ ব্যুরো, মুর্শিদাবাদ
সবে মসজিদের ভিত দিয়ে কাজের সূচনা হয়েছে। তারপর এসেছে প্রথম জুম্মাবার। এ দিন থেকেই বেলডাঙার বাবরি মসজিদ প্রাঙ্গনে চালু হয়ে গেল জুম্মার নামায। আর মসজিদের নামটা যেতে বাবরি তাই মুসলিমদের আবেগও ছিল একটু বেশি। এই মাসটা ডিসেম্বর। ১৯৯২ সালের এ দিনই শহিদ করা হয়েছিল অযোধ্যার বাবরি মসজিদ। আর এই ডিসেম্বরেই বেলডাঙায় নতুন করে বাবরি মসজিদ তৈরি করার কাজ শুরু করে দিয়েছেন তৃণমূলের বহিস্কৃত বিধায়ক হুমায়ুন কবির।
হুমায়ুন কবিরের বাবরি মসজিদের প্রাঙ্গণে প্রথম জুম্মা নামাযে ইতিহাসের এক অনন্য মুহূর্তের সাক্ষী থাকল। হাজারো হাজরো মুসল্লিরা বেলডাঙার বাবরি মসজিদের জায়গায় এ দিন জুম্মার নামায আদায় করেন।বাবরি মসজিদের প্রাঙ্গণে এদিন প্রথম আযান ও জুম্মার নামায আদায় করতে জেলা তো বটে রাজ্য ও দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষরা হাজির হয়ে প্রথম জুম্মার নামায আদায় করে ইতিহাসের সাক্ষি রইলেন।
প্রথম দিনে হুমায়ুন কবিরের বাবরি মসজিদে জুম্মার নামাযের ইমামতি করেন হযরত মাওলানা ক্বারী রিয়াসতুল্লাহ সাহেব। প্রথম জুম্মার নামায ঘিরে সকাল থেকেই মানুষের ঢল নামে বেলডাঙায়। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে এলাকাজুড়ে ছিল উৎসাহ ও আবেগের আবহ। অনুমান করা হচ্ছে, লক্ষাধিক মানুষের ভিড় উপচে পড়েছিল রাজ্য ও দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে। এদিন জুম্মার নামাযে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক হুমায়ুন কবির। তাঁর উপস্থিতি এলাকাবাসীর মধ্যে আরও উৎসাহ ও উদ্দীপনা যোগ করে।
স্থানীয় মানুষের দাবি;এই প্রথম জুম্মার নামাজ বেলডাঙার ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় রচনা করল। শান্তি, সম্প্রীতি ও ঐক্যের বার্তা ছড়িয়ে আজকের দিনটি হয়ে রইল স্মরণীয়।

