পাটলিপুত্রের মান রাখল দিদির লক্ষ্মীর ভাণ্ডার
দীপিকা অধিকারী, রাজন্যা নিউজ
বিহার ভোটে বড় কাজ করেছে বেশ কয়েকটি ফ্যাক্টর। সেগুলির মধ্যে অন্যতম ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’ এবং মহিলা ভোট। ভোটের আগে গত ২৬ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী ৭৫ লক্ষ মহিলার প্রত্যেকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে একসঙ্গে ১০ হাজার টাকা স্থানান্তর করার কথা ঘোষণা করেছিলেন। সেইমতন বিহারে ভোটের সময় মহিলাদের খাতায় ১০ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়। যা অনেকেই বলছেন, দিদির ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’-কে অনুকরণ করা।
বিহার ভোটে কার্যত ভরাডুরি হয়েছে মহাজোট-এর। অনেকেই আশায় ছিলেন হয়তবা এক্সিট পোল-কে ভুল প্রমাণিত করবে। কিন্তু না। ভোট গণনার সকাল থেকেই ঝড় তুলেছিল এনডিএ। যা সন্ধে পর্যন্ত প্রবল বেগে বইল। তাঁর সামনে কার্যত উড়ে গেল মহাগঠবন্ধন। যার ফলস্বরূপ, বিজেপির রণকৌশল ভোঁতা করে পাটলিপুত্রের সিংহাসন জয় অধরাই থেকে গেল। তবে তেজস্বীর হার অনেকাংশে মহিলাদের খাতায় দশ হাজার দানকেই প্রধান ফ্যাক্টর বলছে।
বঙ্গে মমতার যে অস্ত্রের নাম ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’, পাটলিপুত্রে সেই প্রকল্পই আরও বড় আকারে উপস্থাপিত হয়েছিল ‘মুখ্যমন্ত্রী মহিলা রোজগার যোজনা’ নামে। মহিলাদের স্বনির্ভর করতে ভোটের ঠিক আগেই নীতীশ ঘোষণা করেছিলেন, তাঁর সরকার নগদ অর্থ দেবে মহিলা ভোটারদের। প্রথম কিস্তিতে দেওয়া হবে ১০ হাজার টাকা। সেই অর্থ পেতে মহিলাদের মধ্যে হিড়িক পড়ে গিয়েছিল হিন্দিবলয়ের হৃদয়ভূমিতে। প্রথম দফা ভোটের দিন কয়েক আগেই ১ কোটি ২১ লক্ষ মহিলার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি ১০ হাজার টাকা পৌঁছে গিয়েছিল সরকারের তরফে। তার ফল হাতেকলমে পেয়ে গেল এনডিএ শিবির।

