হাসিনাকে বাংলাদেশে হস্তান্তর করা হবে না ইঙ্গিত দিলেন জয়শঙ্কর
রাজন্যা নিউজ ব্যুরো, নয়াদিল্লি: ভারতে থাকার সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত। তৎকালীন বাংলাদেশের পরিস্থিতিতে তাঁকে এখানে আসতে হয়েছে। এমনটাই জানালেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। নভেম্বরে হাসিনাকে মৃত্যুদন্ড দিয়েছে ঢাকার বিশেষ ট্রাইব্যুনাল। মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে তাঁকে মৃত্যুদন্ড দেওয়া হয়েছে। হাসিনাকে ফেরানো নিয়ে একাধিকবার বাংলাদেশ ভারতকে জানিয়েছে। হাসিনাকে ফেরানো প্রসঙ্গে বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর জানিয়েছেন, বিশেষ এক পরিস্থিতির মধ্যে ভারতে এসেছিলেন হাসিনা। এবার তিনি বাংলাদেশে যাবেন কি না সেটা তাঁকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ২০২৪ সালে আগস্ট মাসে আওয়ামী লিগের ১৫ বছরের শাসনের অবসান হয় বাংলাদেশে। অশান্তির আগুনে প্রাণ হারিয়েছেন বহু মানুষ। আহত হয়েছিলেন হাজার হাজার মানুষ। এখানেই মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ তোলা হয়েছে। দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক ইতিবাচক বলে জানিয়েছেন বিদেশমন্ত্রী। তিনি আরও বলেছেন, বাংলাদেশে যাঁরা ক্ষমতায় রয়েছেন, নির্বাচন পরিচালন নিয়ে তাঁদের প্রশ্ন রয়েছে। কিন্তু এখন সবার আগে প্রয়োজন একটা সুষ্ঠু নির্বাচন করা। বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে আশাবাদী তিনি। বলেছেন, তিনি বাংলাদেশের মঙ্গল কামনা করছেন। একটি গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে, অন্য গণতান্ত্রিক দেশের জনগণের ইচ্ছাকে সম্মান জানানো উচিৎ। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া থেকে যা কিছু সামনে বেরিয়ে আসবে, সেটির সম্পর্কে ভারসাম্যপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি বজায় থাকবে।
হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরানো নিয়ে খুব বেশি কিছু বলতে চাননি। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে ফেরার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন হাসিনা। তাঁদের দেশে ফেরা নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে। নির্দিষ্ট একটা পরিস্থিতিতে তাঁকে ভারতে চলে আসতে হয়েছিল। এক বছর ধরে ভারতেই রয়েছেন তিনি।’

