শুধু টয়ট্রেন দেখতে দার্জিলিং বারেবারে ছুটে আসছেন জাপানিরা
রাজন্যা নিউজ ব্যুরো দার্জিলিং: বিশ্বজুড়ে টয় ট্রেনের খ্যাতির শীর্ষে রয়েছে ভারতের দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে। ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃত। পাহাড়ের আঁকাবাঁকা পথ ধরে এনজেপি থেকে দার্জিলিং রুটে টয় ট্রেন পরিষেবার চাহিদাই আলাদা। ধোঁয়া ওঠা ইঞ্জিন আর কু-ঝিকঝিক শেরব্দ টানে বার বার জাপানের একদল মানুষ ফিরে আসেন দার্জিলিং। ‘রীতি মেনে’ ২০২৬ সালের গোড়াতেও ফের দার্জিলিঙে ওই জাপানি পর্যটকেরা।
সম্প্রতি এনজেপি স্টেশন থেকে চাটার্ড ট্রেন ভাড়া করেছিল বিদেশি পর্যটকদের ওই দলটি। কিন্তু অদ্ভুত ভাবে তাঁদের কেউ সেই ট্রেনে ওঠেননি। আবার গোটা যাত্রাপথ টয়ট্রেনে চেপেও গেলেন না৷ ডিজেল ইঞ্জিন নয়, কয়লাচালিত বাষ্প ইঞ্জিনই চাই তাঁদের। শেষে তা-ই হল। কয়লা ঢেলে ট্রেনের হুইস্ল বাজতেই উৎসাহের অন্ত নেই বৃদ্ধ পর্যটকদের৷ পাহাড়ি রেলপথে কী ভাবে এঁকেবেঁকে টয়ট্রেন ছুটছে, সে দিকে তাকিয়ে সকলেই ‘বিস্ময় বালক।’ গোটা যাত্রাপথে স্টিম ইঞ্জিনের নস্টালজিয়ার সঙ্গে পাহাড়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে ফ্রেমবন্দি করে গিয়েছেন জাপানি পর্যটকেরা।
ডিএইচআরের দাবি, জাপানের ওই পর্যটকের দলটি প্রতি দুই বা এক বছর অন্তর নিয়ম করে দার্জিলিঙে আসেন শুধুমাত্র টয়ট্রেনের আকর্ষণে। কয়লাচালিত স্টিম ইঞ্জিনের প্রতি তাদের বাড়তি আগ্রহ। স্টিম ইঞ্জিনটি কু-ঝিকঝিক হুইস্ল বাজিয়ে টয়ট্রেন যাত্রার প্রস্তুতি নিতেই জাপানি পর্যটকদের উচ্ছ্বাসের অন্ত নেই। এনজেপি থেকে সুকনা, রংটং এবং তিনধারিয়া হয়ে আঁকাবাঁকা পাহাড়িপথে কার্শিয়াং পৌঁছনো পর্যন্ত পুরো যাত্রাপথ তাঁরা ক্যামেরাবন্দি করেছেন।

