উত্তরে লোকসান প্রায় ৫০০ কোটি! পাহাড়ি প্রত্যন্ত জনপদে ত্রাণ পৌঁছে দিচ্ছেন মেয়র
কল্যাণ অধিকারী, রাজন্যা নিউজ
পাহাড়ের সাম্প্রতিক বিপর্যয়ে ক্ষতির পরিমাণ বিপুল। ভুটান থেকে নেমে আসা জল ও ডলোমাইটের ধস সেতু, রাস্তা, বসতি বাড়ি থেকে হোমস্টে, স্কুলভবন কার্যত গুঁড়িয়ে গিয়েছে। পাহাড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা এখনও বিপজ্জনক। ত্রাণ শিবিরে দশ হাজারের বেশি মানুষ রয়েছেন। একটি সূত্র বলছে পাহাড়ে এবারের দুর্যোগে লোকসানের পরিমাণ প্রায় ৫০০ কোটি ছাপিয়েছে।

পাহাড় ও ডুয়ার্সের বহু এলাকায় ত্রাণ পর্যাপ্ত পৌঁছয়নি বলে অভিযোগ। জানা যাচ্ছে, বিজনবাড়ির পুলবাজার, মিরিক, সৌরিণী-সহ ডুয়ার্সের বিভিন্ন এলাকায় ৩৫টির বেশি ত্রাণ শিবিরে দশ হাজারের বেশি মানুষ রয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ মতো জলপাইগুড়ির নাগরাকাটা ব্লকের বামনডাঙা চা বাগানে ত্রাণ বিলি করতে যান শিলিগুড়ি পুরসভার মেয়র গৌতম দেব। নাগরাকাটা ব্লকের বামনডাঙ্গা ও টণ্ডুতে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় স্পিড বোটে চেপে ত্রাণ দিয়ে আসেন গৌতম দেব। এ দিন আঠারোখাই গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রমোদ নগর এবং রাধা রঞ্জন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ত্রাণ শিবিরে ত্রাণ তুলে দেন তিনি। এছাড়া আপার বাগডোগরা গ্রাম পঞ্চায়েতের এম এম তরাই অঞ্চলে এবং খড়িবাড়ি ব্লকের বিন্নাবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের ডাঙ্গুজোতে ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে ত্রাণ তুলে দিয়েছেন শিলিগুড়ির মেয়র।

মৌসম ভবন জানিয়েছে, নিম্নচাপের প্রভাব কেটেছে। তবে বিক্ষিপ্ত বজ্রগর্ভ মেঘ বৃষ্টিপাত ঘটাতে পারে। অন্যদিকে উৎসবের মরশুমে প্রায় ৫০০ কোটি টাকার ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের পর্যটন শিল্পকে প্রবল ক্ষতির সম্মুখিন করেছে। এই ক্ষতি কিভাবে সামাল দেবে সেটাই এখন সবথেকে বড় প্রশ্নের। এখনো বহু এলাকায় রাস্তার চিহ্ন নেই। তাই এখনি পর্যটকরা পৌছাতে পারবেন না। তাই ভরা মরশুমে বিপুল লোকসানের সম্মুখীন পাহাড়ের ব্যবসা।

