সামির আগুনে বোলিং, জিতে শীর্ষে বাংলা
নিজস্ব প্রতিবেদন: মহম্মদ সামির দুর্দান্ত বোলিংয়ের পর অভিমন্যু ঈশ্বরণের ব্যাটিং। সবমিলিয়ে সার্ভিসেসকে একেবারে ধরাশায়ী করে ফেলল বাংলা। সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফির নকআউটে ওঠার লক্ষ্যে আরও একধাপ এগোল বাংলা। বাকি থাকা দুই ম্যাচে জিততে পারলেই নকআউটে উঠে যাবেন সামিরা।
প্রত্যেক গ্রুপ থেকে দু’টো দল নকআউটে যাবে। প্রথম দুইয়ে থাকার জন্য এখন প্রত্যেকটা ম্যাচে জিততে হবে, এমনই কঠিন অঙ্ক রয়েছে অভিমন্যু ঈশ্বরণদের সামনে। কিন্তু বৃহস্পতিবার চার ম্যাচে মাত্র একটা জয় পাওয়া সার্ভিসেসই দানবীয় আকার ধারণ করেছিল বাংলার বিরুদ্ধে। মাত্র ৯ ওভারে ১০০ রানের গণ্ডি পেরিয়ে যায় সার্ভিসেস। কিন্তু সামির পাশাপাশি ভয়ংকর হয়ে ওঠেন আকাশ দীপ। দুই পেস বোলার মিলে তুলে নেন সাত উইকেট। তবে এদিন খুবই খারাপ পারফরম্যান্স করেন মুকেশ কুমার। দুই উইকেট ঋত্বিক চট্টোপাধ্যায়ের। একটি উইকেট পেয়েছেন প্রদীপ্ত প্রামাণিকও।
টসে হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে বাংলার পেস বোলারদের কামব্যাকে ধসে পড়ে সার্ভিসেস ইনিংস। ১৮.২ ওভারে ১৬৫ রানে অলআউট হয়ে যায় । সর্বোচ্চ ৩৮ রান করেন মোহিত আহলাওত। ৩.২ ওভারে মাত্র ১৩ রান দিয়ে ৪ উইকেট তুলে নিয়েছেন সামি। দুই স্পেলেই জোড়া উইকেট নিয়েছেন সামি। ৪ উইকেট নিয়ে ম্যাচের সেরা তিনিই। এদিনও প্রমান করে দিলেন, তিনি শেষ হয়ে যাননি। সব ফরম্যাটেই এখনও কার্যকরী ভূমিকা নিতে পারেন।
১৬৬ রানের সহজ টার্গেট তাড়া করতে নেমে প্রথমেই ধাক্কা খায় বাংলা। দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলেই আউট হয়ে যান গত ম্যাচে শতরানকারী করণ লাল। তবে অভিমন্যুর সঙ্গে ওপেনার অভিষেক পোড়েলের জুটিতেই জয় কার্যত নিশ্চিত করে ফেলে বাংলা। বাংলার অধিনায়কের ব্যাট থেকে আসে ৫৮ রান। অভিষেক ৫৬ রানের ইনিংস খেলেন। পরে যুবরাজ কেশওয়ানি এবং আকাশ দীপের জুটি ম্যাচ জেতায়। যথাক্রমে ৩৬ এবং ১৪ রান করেন তিনি।
এদিন ম্যাচ জিতে সি গ্রুপের শীর্ষে উঠে এল বাংলা। পাঁচ ম্যাচ থেকে ১৬ পয়েন্ট বাংলার। নেট রান রেটেও বেশ খানিকটা উন্নতি হয়েছে এদিনের দাপুটে জয়ের ফলে।

